পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে টানা ৭ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে টানা ৭ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক
দিনাজপুর হিলি প্রতিনিধি: মোঃ সাকিব
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দরে টানা সাত দিনের জন্য পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ সময়ে বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি এবং উৎসব উদযাপনের সুবিধার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়জুড়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কোনো ধরনের পণ্য আমদানি কিংবা রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালিত হবে না। এতে সাময়িকভাবে বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থবির থাকলেও ঈদের পর যথারীতি পুনরায় কার্যক্রম শুরু হবে।
জানা গেছে, ছুটিকালীন সময়ে বন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকবে। বন্দরের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি না হয়।
অন্যদিকে, হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের মধ্যে যাতায়াতকারী পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। ফলে চিকিৎসা, ব্যবসা, ভ্রমণ কিংবা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যেসব যাত্রী ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াত করেন, তারা পূর্বের নিয়মেই ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে যাতায়াত করতে পারবেন।
বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই কয়েকদিনের জন্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। এতে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে সাময়িক প্রভাব পড়লেও উৎসব শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যে বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়ে আসে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর হিসেবে হিলি বন্দর দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়। তাই ঈদ উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটির এই সিদ্ধান্ত ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মাঝে স্বস্তি এনে দিলেও আমদানিনির্ভর কিছু পণ্যের সরবরাহে সাময়িক প্রভাব পড়তে পারে।
তবে সবমিলিয়ে, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাত দিনের এই বিরতি বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য উৎসব উদযাপনের সুযোগ তৈরি করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স